Okajee শুধু একটা ওয়েবসাইট নয় – এটা বাংলাদেশের লক্ষো মানুষের বিনোদনের জায়গা। ২০২০ সাল থেকে আমরা নিরাপদ, স্বচ্ছ আর মজাদার অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা দিয়ে আসছি।
Okajee-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি মূল নীতি কাজ করে।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজলভ্য ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। প্রযুক্তি বা ভাষার কারণে কেউ যেন পিছিয়ে না থাকেন – এটাই Okajee-র কেন্দ্রীয় লক্ষ্য।
২০২৮ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বাংলাভাষী গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া। আমরা চাই Okajee-র নাম শুনলেই মানুষ মাথায় আনুক নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা আর মজা।
খেলোয়াড়দের সুরক্ষা সবার আগে। দায়িত্বশীল গেমিং প্রচার, স্বচ্ছ পেআউট এবং ন্যায্য আচরণ – এই তিনটি প্রতিশ্রুতি Okajee কখনো আপস করেনি এবং করবে না।
শুধু গেম নয়, পুরো অভিজ্ঞতাটাই আমরা বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে তৈরি করেছি।
Okajee-র পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় তৈরি। মেনু, নির্দেশনা, সাপোর্ট চ্যাট – সব কিছু মাতৃভাষায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই, আপনি সব সুবিধা পাবেন।
বিকাশ, নগদ, রকেট – এই মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিগুলো Okajee-তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। মাত্র ৳২০০ থেকে ডিপোজিট করুন, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়।
১২০০+ গেম একটি প্ল্যাটফর্মে – অ্যাভিয়েটর, আনদার বাহার, তিন পাত্তি, লাইভ ব্যাকারাত, স্লট, লটারি এবং ক্রিকেট বেটিং সব কিছু এখানে পাওয়া যায়।
উইথড্রয়ালের অনুরোধ সাধারণত ১ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে প্রক্রিয়া হয়। VIP সদস্যদের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক পেমেন্টের সুবিধাও আছে।
দিনে হোক বা রাতে, সপ্তাহের যেকোনো দিন Okajee-র সাপোর্ট টিম আপনার পাশে আছে। বাংলায় চ্যাট করুন, মিনিটের মধ্যে সমাধান পান।
২০২০ সালের গোড়ার দিকে একটা ছোট্ট প্রশ্ন থেকে Okajee-র জন্ম। প্রশ্নটা ছিল সহজ – বাংলাদেশের মানুষ কি নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে, নিজের সংস্কৃতির সাথে মিল রেখে অনলাইন গেম খেলতে পারবেন? তখনকার যেসব প্ল্যাটফর্ম ছিল সেগুলোতে বাংলা ছিল না, বিকাশে পেমেন্টের সুবিধা ছিল না, আর সাপোর্ট টিম ইংরেজিতে কথা বলত।
Okajee এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই আসে। প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের মতো করে একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। শুরুতে মাত্র কয়েকশো সদস্য ছিলেন, কিন্তু মুখে মুখে পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম বছরেই সদস্য সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যায়।
Okajee-র দলটা ছোট হলেও নিবেদিতপ্রাণ। ডেভেলপার, ডিজাইনার, কাস্টমার সাপোর্ট থেকে শুরু করে কনটেন্ট টিম – সবাই বাংলায় ভাবেন, বাংলায় সমস্যা সমাধান করেন। এই মনোভাবটাই Okajee-কে আলাদা করে তোলে।
যত সদস্য বেড়েছে, Okajee তত বেশি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করেছে। সার্ভারের স্থায়িত্ব, পেমেন্ট প্রক্রিয়ার গতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা – এই তিনটি জায়গায় কখনো আপস করা হয়নি। আজ Okajee-তে প্রতিদিন হাজারো লেনদেন হয়, এবং সেগুলোর প্রতিটি নিরাপদে সম্পন্ন হয়।
লেনদেনে SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয় যা ব্যাংকিং মানদণ্ডের সমতুল্য। KYC যাচাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে প্রতিটি অ্যাকাউন্ট বাস্তব মানুষের। এই সতর্কতাগুলো হয়তো একটু সময় নেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটাই আপনার অর্থ ও তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে।
Okajee বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য – জীবিকা বা আয়ের উৎস হিসেবে নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন টুল আছে যা দিয়ে খেলোয়াড়রা নিজেদের সীমা নির্ধারণ করতে পারেন। ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইম লিমিট এবং স্বেচ্ছায় বিরতির সুবিধা – এগুলো Okajee-তে সক্রিয়।
Okajee শুধু একটা ব্যবসা নয়, এটা একটা প্রতিশ্রুতি। লক্ষো মানুষ যখন প্রতিদিন আমাদের উপর বিশ্বাস রাখেন, তখন সেই বিশ্বাসটা রক্ষা করাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আমরা প্রতিদিন সেটা পালন করার চেষ্টা করি।
২০২০ থেকে আজ পর্যন্ত Okajee কীভাবে বেড়েছে।
প্রথম বাংলাভাষী অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে Okajee চালু হয়। শুরুতে ছিল মাত্র ৫০টি গেম ও সীমিত পেমেন্ট অপশন।
বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট চালু হওয়ার পর সদস্য সংখ্যা পাঁচগুণ বেড়ে যায়। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগও এই বছর চালু হয়।
ক্রিকেট ও ফুটবল বেটিং সেকশন চালু হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে Okajee দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
মাত্র তিন বছরে Okajee ১০ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করে। VIP প্রোগ্রামও এই বছর চালু হয়।
নতুন গেম প্রোভাইডার, উন্নত মোবাইল অভিজ্ঞতা এবং রকেট পেমেন্ট সংযোজন। Okajee এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
Okajee কতটা ভালো পারফর্ম করছে – সংখ্যায় দেখুন।
Okajee-র প্রতিটি কাজে এই মূল্যবোধগুলো প্রতিফলিত হয়।
Okajee-র পেছনে যারা দিনরাত কাজ করেন তাদের সাথে পরিচয় হোক।
Okajee সম্পর্কে কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসার উত্তর।
যেকোনো প্রশ্ন, পরামর্শ বা সমস্যায় আমরা সবসময় পাশে আছি।